বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১১

লাদেনের মরার উপায় নেই।



ওসামা বিন লাদেন নাকি মারা গেছেন!
বারাক ওবামা, যিনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, মহা আনন্দের সঙ্গে এই হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে জাতির এবং বিশ্বের উদ্দেশ্যে ভাষন দিয়েছেন।
আমাদের প্রেসিডেন্ট একটা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেন; আর ওবামারা পুরো দুনিয়ার উদ্দেশ্যে!
বিন লাদেন হঠাৎ কেন মরে গেলেন? কি প্রয়োজন হয়েছিল।
বিনা প্রয়োজনে তো লাদেন কিছু করেন না। বিশেষ করে ওবামা সাহেবদের উপকারে লাগে না, এমন কাজ তো বিন লাদেনের করার কথা না! যখনই আম্রিকার প্রয়োজন হয়, তখনই ভদ্রলোক তাদের পাশে এসে দাড়াতেন। এবার কি প্রয়োজনে মরে গেলেন!!!
বিশ্বাস হচ্ছে না?
সেই যে আফগানিস্তানে যখন কমুনিস্টদের দমানো দরকার, তখন দিব্যি সেখানে মার্কিন আর ইসরাইলি অস্ত্র নিয়ে হাজির বিন লাদেন সাহেব। কমুনিস্টরা গেল, বিন লাদেনকে প্রকাশ্যে ‘বন্ধু’ থেকে ‘শত্রু’ তালিকায় নিয়ে গেলেন আম্রিকান সাহেবরা।
তাতে লাদেন সাহেব মোটেও রাগ করেননি। মার্কিন অর্থনীতির ধ্বস সামাল দিতে তিনি হামলা চালান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, মার্কিন নির্বাচনের আগের দিন আল জাজিরায় বক্তৃতা দিয়ে আবার ক্ষমতায় এনে দেন বুশ ভাইকে।
যখন পাকিস্তান-আফগানিস্তান-চীন সীমান্তে মার্কিন ঘাটি তৈরি করা দরকার হয়, তখন গুপ্ত স্থান ছেড়ে ওবামা নাকি চলে আসেন তোরাবোরা পর্বতে। ওখানে হামলা চালিয়ে বেশ দখল করে নেওয়া যায় জায়গাটা। পাকিস্তানকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করে ভারত-বন্ধুত্ব বাড়ানো যায় এবং চীনের পাশে দেয়ালটা শক্ত হয়।
ঠিক যেখানে যেখানে চীন সীমান্তে আক্রমন চালানো দরকার ছিল লাদেন যেখানে সেখানে গিয়ে পালাতেন। কী মজা!!!
আম্রিকানদের এমন বন্ধু তাদের প্রয়োজন ছাড়া দেহ রাখবেন, এ বিশ্বাস হয় না।
দুর্মুখেরা বলছে, লাদেনের মৃতদেহর এখন অনেক দাম। ওই দেহ দেখিয়ে অপরাজেয় হয়ে ওঠা গাদ্দাফি বাহিনীকে দমন করে ফেলা যাবে। ওতে গাদ্দাফি অনুচরদের ‘মর‌্যাল ডিফিট’ হবে। কে জানে, নিন্দুকের কথা সত্যি হতেও পারে। চীন সীমান্তের এ পাশটায় লাদের প্রয়োজন ফুরিয়েছিল।তাই শেষ উপকারটা তার দেহ দিয়েই হল!!!

লাদেনের মৃতদেহ মারকিনিদের কী কী উপকার করবে সেটা চমস্কিরা হিসেব করবেন। আমরা আপাতত একটা ব্যাপার বেশ বুঝতে পারছি। বেচারার মৃত্যুর ভেতর দিয়ে এবার পাকিস্তান আর আফগানিস্তান যদি একটু শান্তি পায়!
এখন তো লাদেন নেই, কাকে খুজতে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। এবার তাহলে বোমাবর্ষন বন্ধ হবে?

(দৈববানী) রে মূর্খ! এক লাদেন নেই তো কী হয়েছে। বোমা ফেলার দরকার হলে কালই আরেকটা কাউকে বানিয়ে নেব। কালই কেউ একজন আর জাজিরায় মুখ খুলবে, ‘আমি লাদেনের উত্তরসুরী।’
তাকে পাকড়াও করতে আবার শুরু হবে ক্লাস্টার বোম্বিং!!!
লাদেনের মরার উপায় নেই।

নোট: এই পোস্টটি স্টিকি থাকা অবস্থায় লেখা নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। মূলত ‘কোহিন’ নামে একজনের সঙ্গে বিতর্কটা দারুণ জমে ওঠে। সেই বিতর্কটা:




কোহিন০৩ মে ২০১১, ১৪:২৯
আদাব দেবব্রতবাবু
আপনার রচনার কায়দাটি নতুন কিছুই নহে।
ঘুরাইয়া ফিরাইয়া ইনাইয়া বিনাইয়া যাহা কহিলেন তাহার সারমর্ম হইতেছে ওসামা বিন লাদেন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দালাল!!!
এইটা অস্বীকার করিবার উপায় নাই যে একসময় রুশ-ভল্লুকদের হাত হইতে আফগানিস্তানকে মুক্ত করিবার জন্য লাদেন মার্কিন সহায়তা গ্রহণ করিয়াছিলেন। কিন্তু সেইকারণে তিনি নিজের মান-সম্মান, নীতি, ঈমান---এইসব বিসর্জন দেন নাই। বরং মার্কিনীদের বিরুদ্ধেই সমমতন রুখিয়া দাড়াইয়াছিলেন। তিনি আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষগুলির মতন নহে। ভারত নানাভাবে হেনস্থা করিলেও ১৯৭১ সালের সহায়তার কথা স্মরণ করিয়া মুখে কুলুপ আটিয়া রাখেন।
যখন প্রতিবাদ করিবার কথা তখন ঠিকই প্রতিবাদ করিয়াছেন। মার্কিন-মুলুকে গিয়া হামলার সাহস দেখাইয়াছেন। যাহা কিনা লাল-মার্কা কমিউনিষ্টগণও কখনো ভাবিতে পারেন নাই।
আজ আফগানিস্তানে প্রতিদিন ন্যাটো বাহিনি নানাভাবে আফগান-যোদ্ধাদের হাতে নাজেহাল হইতেছে। এইটাও ওসামা বিন লাদেনের কৃতিত্ব। ইসলাম শান্তির ধর্ম। কিন্তু এই ধর্মে অন্যায়ভাবে আক্রমণকারীকে রুখিয়া দেবার কথাও বলা হইয়াছে। লাদেন সারা দুনিয়ায় মুসলামনগণের ভিতরে সেই চেতনা জাগ্রত করিবার কাজটিই করিয়াছেন।
ওসামা বিন লাদেনের চেতনার মৃত্যু নাই। এইটা য তাহার মৃত্যুর পরেও প্রমাণিত হইয়াছে। এই বিপ্লবীর জন্য সাড়ে তিন হাত জমিনও জুটিলো না তাহাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হইলো। উহা হইতেই বুঝিতে পারা যায় তিনি কতোটা শক্তিশালী। মৃত ব্যক্তিকে নিয়াও মার্কিন-গংদের কতোখানি ভয়।
ব্যক্তি ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যু হইয়াছে। কিন্তু তিনি যে চেতনা ধারণ করিতেন তাহার মৃত্যু নাই। আগ্রাসী শক্তিকে আধিপত্যবাদী শক্তি তাহাদের প্রাপ্য হিসাব চুকাইয়া দিতে হইবেই। উহাই ইতিহাসের শিক্ষা। সেই শিক্ষা একেবারে বিফল হয় না। লিবিয়ায় যে ন্যাটো-বাহিনী ভূমিতে সৈন্য নামাইতেছে না--উহাও ওসামা বিন লাদেনের শিক্ষা। যে-শিক্ষাটা তিনি ন্যাটো বাহিনিকে আফগানিস্তানে দিয়াছেন।
ওসামা বিন লাদেনের প্রতি ভারতের আক্রোশের কথা আমরা জানি। কাশ্মীরের জনগণও জানেন। সমস্যা হইতেছে আমাদের দেশের প্রগতিশীলগণ মেহনিত মানুষের অধিকার-বিষয়ে কথা বলিলেও কাশ্মীরের জনগণের কথা বলিতে নারাজ।
ভালো থাকিবেন।
দেবব্রত মুখোপাধ্যায়০৩ মে ২০১১, ১৫:৪২
কোহিন ভাই,
‘ঘুরাইয়া প্যাচাইয়া’ নয়, একেবারে স্পষ্ট করে বলছি, বিন লাদেন একজন মার্কিন ‘দালাল’ ছিলেন/আছেন বলেই মনে করি।
বিন লাদেন মুসলিম বিশ্বের কোনো উপকার করেছিলেন বা তিনি মার্কিন বিরোধী ছিলেন; এমন আমার কখনোই মনে হয়নি। বরং আগেও যা বলেছি, তার কর্মকান্ডে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে তো সেটা মার্কিন প্রশাসন নয়, মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
লাদেনের ইচ্ছায় (যদি আদৌ লাদেনের নিজস্ব ইচ্ছা বলে কিছু থেকে থাকে) যখন যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা মার্কিন প্রশাসনকে উপকৃত করেছে। কয়েকটা উদাহরন আগেই দিয়েছি। সোজা কথায় লাদেনের প্রতিটি হামলার জবাবে মার্কিনিরা মুসলিমদের আরও বেশি ‘জঙ্গী’ বলে চিহ্নিত করে অবমাননা বাড়িয়ে দিয়েছে। এবং হামলার উত্তরে আরও বেশি হামলা করে প্রান কেড়ে নিয়েছে এবং আরও বেশি জায়গা নিজেদের দখলে নিয়েছে।
একটু হিসেব করে বলুন তো বিন লাদেনের, তথা আল কায়েদার আক্রমনে এ পর্যন্ত মোট কতোজন খ্রিস্টান বা ইহুদি মারা গেছে? দেখতে পাবেন আল কায়েদার হামলায় নিহত মুসলিমের সংখ্যা তার চেয়ে ঢের বেশি।
আজকের দিনে সশস্ত্র পদক্ষেপ আদৌ কোনো ‘বিপ্লব’ করতে পারে বলে আমি মনে করি না। বিন লাদেনের পরিবর্তে কোনো ‘লাল-বাহিনী’ও এমন কাজ করে বেড়ালে তাকে আমি সমর্থন করতাম না।
আজকের দিনে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একমাত্র জবাব হতে পারে নিজেদেরকে টেকনোলজি, জ্ঞানে, কৌশলে তাদের সমকক্ষ করে তোলা। যেটা চীন-ভারত করছে। বিন লাদেনের আদৌ মার্কিন বিরোধিতার উদ্দেশ্য থাকলে তিনি অস্ত্রের চেয়ে কলমের দিকে বেশি জোর দিতেন বলেই আমার বিশ্বাস। তার সেই অর্থের জোগানও ছিল।
সর্বোপরি, আপনি লিবিয়া ও আফগানিস্তানের প্রতিরোধের পেছনে বিন লাদেনের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছেন; আমি পাচ্ছি না। লিবিয়ার প্রতিরোধ একেবারেই ভিন্ন চেহারার একটা ব্যাপার। তাদের সঙ্গে মতাদর্শিক ভাবে আল কায়েদার সম্পর্ক থাকতে পারে না।
আর আফগানিস্তানেও প্রতিরোধের মূল অংশ আল কায়েদা করছে না; সেই প্রতিরোধ করছে বিভিন্ন আফগান যোদ্ধা জাতিগোষ্ঠী। এইসব জাতিগোষ্ঠী কখনোই বিন লাদেনের অনুসারী ছিল না। কখনোই তারা আল কায়েদাকে একটি আফগান শক্তি বলে মনে করেনি।
সর্বশেষ, ইসরায়েলি আর মার্কিন অস্ত্র দিয়ে মার্কিন প্রতিরোধ হয় না রে ভাই। ওতে শুধু মার্কিন-ইহুদি অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ব্যালান্স বাড়ানো যায়।
যাই হোক, এগুলো আমার মত। আপনাকে একমত হতে হবে, এমন কথা নেই।
তবে আমার একটা অনুরোধ, আমার নাম দেখে আর কথাবার্তা শুনে আমাকে বাজারচলতি প্রগতিশীল বলে চালিয়ে দেবেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে শুধু কাশ্মীর ইস্যুতে নয়, বহুবিধ ইস্যুতে মারাত্মক ভারতবিরোধী। একইসঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিও আমার বিরোধ কম নয়।
তবে মজা হল, আমি রাষ্ট্র হিসেবে ভারত-পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র; অনেকের বিরোধী। কিন্তু কোনো ভারতীয়, পাকিস্তানী বা মার্কিনি মানুষের প্রতি আমার ঘৃনা নেই।
পৃথিবীর কোনো মানুষের প্রতি আমার ঘৃনা নেই।
সবশেষে সুন্দর আলোচনার জন্য কোহিন ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ।
কোহিন০৩ মে ২০১১, ১৬:৫৯
বাবু দেবব্রত মুখার্জি
১.''‘ঘুরাইয়া প্যাচাইয়া’ নয়, একেবারে স্পষ্ট করে বলছি, বিন লাদেন একজন মার্কিন ‘দালাল’ ছিলেন/আছেন বলেই মনে করি।''
@ নিজের রচনাটি আবারও পাঠ করিয়া দেখুন। তাহাছাড়া একটি হত্যকাণ্ডকে আপনি সাধারণ ''মৃত্যু'' শব্দ দিয়াই জাহির করিলেন!!

২. বিন লাদেন মুসলিম বিশ্বের কোনো উপকার করেছিলেন বা তিনি মার্কিন বিরোধী ছিলেন; এমন আমার কখনোই মনে হয়নি। বরং আগেও যা বলেছি, তার কর্মকান্ডে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে তো সেটা মার্কিন প্রশাসন নয়, মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
@ আপনার মতন এইরকম মুসলিম-দরদি থাকিলে মুসলমানগণের বিপদের শেষ থাকিবে না।
হাজার বছরের বসতভিটা হইতে ফিলিস্তিনি জনগণকে যখন উচ্ছেদ করা হইয়াছিলো তখন তো তাহারা সেইভাবে অস্ত্র হাতে নেয় নাই। একটা সময় ছিলো যখন কথায়-কথায় ইসরাইলি সৈন্যরা লেবানন সীমান্ত অতিক্রম করিয়া হত্যাযজ্ঞা ঘটাইতো। ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ-র হাতে চরম মার খাইবার পর হইতে ইসরাইল এখন লেবানেন একটি ঢিল ছুড়িতেও ভয় পায়। উহার কারণ হিজবুল্লাহ-র হাতে অস্ত্র নেওয়া। মার্কিন-ইসরাইলিরা হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করিয়া থাকে। তাহাতে কী হইয়াছে? মারইকন-প্রভু কি বলিবে না বলিবে এইটা চিন্তা করিয়া সশস্ত্র সংগ্রাম বন্ধ রাখিতে হইবে?
৩. লাদেনের ইচ্ছায় (যদি আদৌ লাদেনের নিজস্ব ইচ্ছা বলে কিছু থেকে থাকে) যখন যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা মার্কিন প্রশাসনকে উপকৃত করেছে। ... দেখতে পাবেন আল কায়েদার হামলায় নিহত মুসলিমের সংখ্যা তার চেয়ে ঢের বেশি।
@ সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে মারইকন প্রশাসনের বিলিয়ন-বিলিয়ন খরচ হইতেছে। তাহার পরেও বলিবেন ওসামা বিন লাদেন মার্কিনীদের উপকার করিয়াছেন? ইরাকে, আফগানিস্তানে--ন্যাটো বাহিনীর নিহত সৈন্যগণের সংখ্যা আপনিই হিসাব করিয়া দেখুন। আর বসিয়া বসিয়া মার খাইলেই যদি ভালো হইতো তাহা হইলে তো আমাদের মুক্তিযুদ্ধ করিবার প্রয়োজন থাকিতো না। ১৯৭১ সালের ৩০ লক্ষ মানুষের নিহত হইবার জন্য তাহা হইলে শেখ মুজিবুর রহমানকেই দায়ী করিতে হয়!!!! প্রতিরোধ যুদ্ধ না করিলে পাকিস্তানীরা অল্পেই শান্ত হইয়া যাইতো?

৪.আজকের দিনে সশস্ত্র পদক্ষেপ আদৌ কোনো ‘বিপ্লব’ করতে পারে বলে আমি মনে করি না। বিন লাদেনের পরিবর্তে কোনো ‘লাল-বাহিনী’ও এমন কাজ করে বেড়ালে তাকে আমি সমর্থন করতাম না।
@ প্রতিরোধের কোনো আজ-কাল নাই। স্পার্টাকাস সেই কবে প্রতিরোধ করিয়াছিলেন। সফল হইতে পারেন নাই ঠিকই কিন্তু মানুষের ভেতর প্রতিরোধের শক্তিটা যোগাইতে পারিয়াছেন। এইটা কম নহে।

৫. লিবিয়ার প্রতিরোধ একেবারেই ভিন্ন চেহারার একটা ব্যাপার। তাদের সঙ্গে মতাদর্শিক ভাবে আল কায়েদার সম্পর্ক থাকতে পারে না।
@ লিবিয়ার যুদ্ধটা ভিন্ন সেইটা মানি। কিন্তু সাদ্দামকে উৎখাত করিবার জন্য মার্কিন-ব্রিটিশ সৈন্য যেইভাবে ভূমিতে নামিয়াছিলো--এখন সেই ঝুকি নিতে পারিতেছে না--উহাই আমার বলিবার কথা। কারণ ইরাকে, আফগানিস্তানে তাহার যাহা হারাইয়াছে তাহার ধকলই এখন সামলাইতে পারিতেছে না।

৬.আর আফগানিস্তানেও প্রতিরোধের মূল অংশ আল কায়েদা করছে না; সেই প্রতিরোধ করছে বিভিন্ন আফগান যোদ্ধা জাতিগোষ্ঠী। এইসব জাতিগোষ্ঠী কখনোই বিন লাদেনের অনুসারী ছিল না। কখনোই তারা আল কায়েদাকে একটি আফগান শক্তি বলে মনে করেনি।
@ আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক ইতিহাস বিষয়ে আপনার জ্ঞানের বহর দেখিয়া আমি সত্যসত্যই আফশোশ করিতেছি কেন এইরকম একটা মূর্খ মানুষের সহিত তর্ক করিতে যাইতেছি। কতো সালে আফগানিস্তানে মারইকন-ব্রিটিশ জোট হামলা শুরু করিয়াছে? কেন করিয়াছে? সেইখানে তখন কাহারা ক্ষমতায় ছিলো?

৭. ইসরায়েলি আর মার্কিন অস্ত্র দিয়ে মার্কিন প্রতিরোধ হয় না রে ভাই। ওতে শুধু মার্কিন-ইহুদি অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ব্যালান্স বাড়ানো যায়।
@ অস্ত্রের কোনো দেশ নাই ধর্ম নাই। কিন্তু দেখিতে হইবে সেই অস্ত্র কাহারা ব্যবহার করিতেছে? কি কাজে ব্যবহার করিতেছে? ওসামা বিন লাদেন মারইকন বিমান দিয়া যেইভাবে মারইকন-ভূখন্ডে হামলা চালাইয়াছিলেন--তাহা মার্কিনদের অহংকারের মুখে একটি বিশাল চপেটাঘাত। উহার একটি ঐতিহাসিক মূল্য রহিয়াছে।
দেবব্রত মুখোপাধ্যায়০৩ মে ২০১১, ২২:২৬
কোহিন ভাই,
মূর্খ বলে আমাকে ঘোষনাই করে দিয়েছেন। ভেবেছিলাম, আলাপ বাড়িয়ে আপনার আফসোস আর বাড়াবো না। পরে মনে হল, আপনি তো সত্যিটা টের পেয়েই গেছেন; এখন আলাপ বন্ধ করলে বাকীরাও টের পেয়ে যাবে-আমি একটা মূর্খ বই কিছু নই। তাই আরেকটু জবাব দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আপনার মতোই পয়েন্ট ধরে ধরে বলি?

১। আমি হত্যাকান্ড বলি আর নাই বলি, এটি হত্যাকান্ড; তাতে সন্দেহ নেই। তবে এখন সন্দেহ বিন লাদেন কি আদৌ মারা গেছেন? বা মারা গেলে কি এ দিনই মারা গেলেন!!!

২। ‘‘আপনার মতন এইরকম মুসলিম-দরদি থাকিলে মুসলমানগণের বিপদের শেষ থাকিবে না।’’
এই কথাটা খানিকটা ব্যক্তিগত আক্রমন হয়ে গেল। এবং এই পয়েন্টে আপনি যে আলোচনা করেছেন, সেটা আমার ঠিক মনে হয়নি। প্রভুদের অসন্তোষের ভয়ে নয়, আমি মনে করি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্যই সহিংস পথ বন্ধ করা উচিত। আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস সহিংস সংগ্রাম অর্থ, মেধা ও জীবন নাশ করে। এ ছাড়াও শত্রুকে দমনের অনেক উপায় আছে। অন্তত মেধা-মননে তার চেয়ে নিজেকে অগ্রগামী প্রমান করা।

৩। ‘‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে মারইকন প্রশাসনের বিলিয়ন-বিলিয়ন খরচ হইতেছে। তাহার পরেও বলিবেন ওসামা বিন লাদেন মার্কিনীদের উপকার করিয়াছেন?’’
হ্যা, বলিব। কারণ এই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় মারকিনিদের জন্য ‘লাভজনক’ একটি ব্যাপার। এখানে আজকের দিনের কথা চলে আসে। আজকের দিনটা ঠিক ষাটের দশক নয়। এটা করপোরেট দুনিয়া। এখানে ব্যবসার চেয়ে বড় রাজনীতি আর কিছু নেই। এই যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয়, এটা বুশ-ওবামাদের পকেট থেকে হয় না। হয় সারা দুনিয়া থেকে কেড়ে নেওয়া ডলার থেকে। আর এই ব্যয়টা হয় সামরিক খাতে। সামরিক খাতের এই ব্যয়টার সিংহভাগ যায় অস্ত্রব্যবসায়ীদের পকেটে। মার্কিন সরকারের কূটনীতি থেকে শুরু করে নির্বাচন; সবকিছুতে এখন প্রধান ভূমিকা রাখে এই অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। তাদের সন্তুষ্ট রাখতে উভয় পক্ষে (লাদেনের এবং মারকিনিদের) এই বিপুল সামরিক ব্যয়ের চেয়ে ভালো পদক্ষেপ আর হয় না।

৪। ‘‘প্রতিরোধের কোনো আজ-কাল নাই।’’
মোটা দাগে না থাকলেও দিন বদলেছে, এটা মানতেই হবে। এখন লড়াইটা যতো না অস্ত্রের তার চেয়ে বেশি বাজার ও মেধার। আসল লড়াইটা ওখানে দিতে হবে। সোভিয়েত ইউনিয়ন যে ভুল করেছিল, সেই দিন আর নেই। অস্ত্র খাতে মারাত্মক বিনিয়োগ না করেও যে লড়াইয়ে মাঠ দখল করা যায় তার প্রমান চীন। আমি চীনের প্রতি কোনো ভক্তি থেকে কথা বলছি না। কিন্তু তারা একটি ক্ষেপনাস্ত্রও না ছুড়ে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য; ক্ষেত্রবিশেষে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারেও যে দখল নিয়েছে, তাতে নিশ্চয়ই কোনো সন্দেহ নেই। ফলে প্রবল ঘৃনা থাকা স্বত্ত্বেও চীনের বিপক্ষে টু শব্দটি করার সাহস কিন্তু ওবামা সাহেবরা পাচ্ছেন না।

৫। প্রায় সহমত পোষন করায় আলোচনা বাড়ালাম না।

৬। আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক ইতিহাস না জানায় আপনি আমাকে মূর্খ বলে রায় দিলেন। মাথা পেতে নিলাম। কিন্তু ভাই, আপনি কি খেয়াল করেছেন, তালিবান আর আল কায়েদার মধ্যে সুক্ষ একটা পার্থক্য আছে। অন্যরা গুলিয়ে ফেলতে পারে, কিন্তু আপনার এ যাবৎ কালের ‘জিহাদী’ লেখা পড়ে আমি নিশ্চিত, আপনি এটা বোঝেন। আল কায়েদা আফগান প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন যে নয়, এটা ইতিহাসের দস্তাবেজ দিব্যি স্বাক্ষী দেয়। আর ক্ষমতায় কে ছিল, সেটা দিয়ে কি প্রমান করতে চাইছেন? তালিবান আর আল কায়েদাকে এক ধরে নিলেও এ কথা কি বলা যায় যে, তালিবানরা আফগান জনগনের সরকার ছিল!!!!
আমার এবং কিছু মূর্খ ঐতিহাসিকের কখনোই তা মনে হয়নি।

৭। ‘‘অস্ত্রের কোনো দেশ নাই ধর্ম নাই।’’
আছে। অবশ্যই আছে। অস্ত্রের বিনিময়ে টাকাটা কার পকেটে যাচ্ছে, সেটা অবশ্যই দেখতে হবে। আমি অস্ত্র কিনছি ‘বিপ্লব’ বা ‘জিহাদ’ করার জন্য। আর সেই অস্ত্র বেচে ফেপে উঠছে, আমারই শত্রু; এ কেমন বিবেচনা প্রসূত কাজ হল?

নোট:
আপনি আমার নাম লিখেছেন ‘বাবু দেবব্রত মুখার্জী’।
এমনিতে হয়তো এই নামে আমার রাগ করার কিছু ছিল না। কিন্তু ‘বাবু’ শব্দটি না থাকলে খুশি হই। আর মুখার্জী শব্দটি মুখোপাধ্যায়ের ইংরেজ রূপ; তাই যতোদূর সম্ভব ত্যাগ করে চলি। এগুলো উল্লেখ করে কি আমাকে ব্রাকেটবন্দী করতে চাইছেন। লাভ নেই।
আলোচনা করলে পুরোটা বিষয়ে থাকুন। ব্যক্তিগত খোচাখুচি কাম্য নয়।
দেবব্রত মুখোপাধ্যায়০৪ মে ২০১১, ০০:১৮
কোহিন ভাইয়ের উদ্দেশ্যে:
ওসামা বিন লাদেন যাকে ‘মিত্র’ বলে প্রকাশ্যেই ঘোষনা দিয়েছিলেন, সেই যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিক রবার্ট ফিস্কের লেখা থেকে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে দিলাম। অনুবাদ -কাজী শাহরিন হক, বিডিনিউজ।

• আমি এ মানুষটার (বিন লাদেন) সঙ্গে তিন বার সাক্ষাৎ করেছিলাম, তবে একটা প্রশ্নই তাকে জিজ্ঞেস করা বাকি রয়ে গেলো আমার- ইসলামের পতাকাতলে না গিয়ে যার যার জাতির পতাকা নিয়ে, মুসলিম ও খ্রিস্টানরা যে অভ্যূত্থানগুলোতে (মধ্যপ্রাচ্যে) একসঙ্গে লড়েছে, তার দল আল-কায়দার সদস্যরা যাদেরকে খুশি মনেই খুন করতে ভালোবাসতো, এ বছরের ওই গণঅভ্যূত্থানগুলো দেখার পর তিনি কী ভাবছেন?
• (যদি বিন লাদেনকে প্রকাশ্য বিচারের মুখোমুখি করা হতো) নিশ্চয়ই তিনি বলতেন আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের সময় সিআইএ'র সঙ্গে তার যোগাযোগের কথা, অথবা ইসলামাবাদে সৌদি আরবের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান প্রিন্স তুর্কির সঙ্গে তার সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের কথা।
• অন্যান্য মুসলিম গোষ্ঠীর সঙ্গে তার (বিন লাদেন) সম্পর্ক ছিলো খুবই ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। আমি যখন আফগানিস্তানে তার সঙ্গে দেখা করি, তখন তালেবান বাহিনীকেও ভয় পেতেন তিনি। তার অনুসারীরা শিয়া মুসলমানদের বিপথগামী ও স্বৈরশাসকদের নাস্তিক বলে মনে করতো এবং ঘৃণা করতো। তিনি কখনোই হামাসের প্রশংসা করেননি ।
কোহিন০৫ মে ২০১১, ১৬:২৩
ভ্রাতা দেবব্রত মুখোপাধ্যায়
ওসামা বিন লাদেনকে যে হত্যা করা হইয়াছে---তাহা নিয়া মার্কিন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিগণই একেক সময় একেকরকম কথা বলিতেছেন। কখনো বলা হইতেছে তিনি নিরস্ত্র ছিলেন। আবার বলা হইতেছে সশস্ত্র ছিলেন। একবার বলা হইতেছে তাহার মৃতদেহের ছবি প্রকাশ করা হইবে। আবার বলা হইতেছে শেষ পর্যন্ত ওবামা ছাহাব ঘোষণা দিয়াছেন সেইটি করা হইবে না। এইসব হইতেই বুঝিয়া লইতে পারি জীবিক ওসামা বিন লাদেন যেমন মার্কিনীদের ভয়ের কারণ ছিলেন তিনি তাহার মৃত্যুর পরেও সমান শক্তিশালী। ওসামা বিন লাদেন কবে মারা যাইবেন সেইটাও কি আপনার-আমার মর্জি অনুযায়ী হইবে?
আপনি ভিন্নধর্মের বলিয়া আপনাকে মুসলিম-দরদী বলি নাই। এইরকম বিষয় অনেক মুসলামনদের মধ্যেও দেখা যায়। যেমন হামাসকেও কেহ-কেহ একবার সন্ত্রাসী আরেকবার মার্কিন-ইসরাইলের দালাল বলিয়া প্রচারণা চালানো হইয়া থাকে।
উহার কারণ হইতেছে ভীত মানুষের মনস্ততত্ব। একটু ব্যাখ্যা করিতে দিন।
মুখে আমার সকলেই সাহসী। কিন্তু তাহা প্রমাণ হয় কাজের বেলায়। কোনো প্রতিবাদে প্রতিরোধের বেলায় ভীত মানুষ বেশি বিপদে পড়িয়া যায়। কেননা তখন বিষয়টা প্রমাণসাপেক্ষ হইয়া দাড়ায়। দেখিবেন একজন ভীতু মানুষও নিজেকে ভীতু বলিয়া স্বীকার করিতে নারাজ। কিন্তু প্রতিবাদ করিলেই তো ঝামেলা। কাজেই ১০ জনের ভিতর ১ জন প্রতিবাদ করিলে যখন ''ঝামেলা'' হয় তখন সবাই সেই প্রতিবাদকারীকেই উল্টা বকাবাকি করিয়া থাকে। কি দরকার ছিলো..খামোকা ঝামেলা বাধাইবার!!! এইসব বলা হয়। উহা ছোটো জায়গায়।
এইখানেও ঠিক তেমনি একটি ব্যাপার ঘটিয়াছে। আপনি ইতিহাসের কিতাব লইলেই দেখিবেন এইটা নতুন বিষয় নহে। শেখ মুজিব যখন ৬ দফা দিয়াছিলেন তখন এই দেশের রাজনৈিতক দলগুলি উহার জন্য ঠিক প্রস্তুত ছিলো না। নিজেদের এই ব্যর্থতা ঢাকিবার জন্য সেই সময় ৬ দফাকে সিআইয়ের দেওয়া নকশা বলিয়া প্রচার করা হইয়াছিলো। শুধু তাহাই নহে মেখ মুজিবকেও মার্কিন দালাল হিসেব প্রচার করা হইয়াছিলো।১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় অনেকেই '''ঝামেলা ''' বাধাইবার জন্য শেখ মুজিবকে দায়ী করিতে ছাড়েন নাই।
ওসামা বিন লাদেনের বেলাতেও ঠিক তাহাই ঘটিয়াছে।
বিলিয়ন-বলিয়ন অর্থ খরচ হইতেছে। আপনি তাহা স্বীকার করিয়াও পরে এড়াইয়া গিয়াছেন। ইরাক হইতে না হয় তৈল পাওয়া যাইতেছে কিন্তু আফগান্তান হইতে ন্যাটো কি পাইতেছে? নিহত সৈন্যদের সংখ্যা দিন-দিন বৃদ্ধি পাইতেছে। আপনার কি ধারণা সবই সাজানো নাটক?
তাহা হইলে বলিতে হয় : ভিয়েতনামের যুদ্ধও একটি সাজানো নাটক। বলিভিয়ায় নিহত চে-গুয়েভরাও মার্কিন দালাল।আফগানিস্তানে রুশ আক্রমণও সাজানো নাটক। ফিলিস্তিন সংগ্রামও তাহাই।
আর এই নাটকের বিরুদ্ধে মারইকন-ব্রিটিশ-জার্মানী-ফ্রান্স সকল দেশের নাগরিকগণ মুখ বুজিয়া তাহা মানিয়া লাইতেছে। এতোটা সহজ সমীকরণ নাই-বা করিলেন!!!
ভালো থাকিবেন।

ভ্রাতা দেবব্রত মুখোপাধ্যায়
এই দেশের উচ্চবর্ণের হিন্দুগণকে একসময় ''বাবু'' বলিয়াই সম্বোধন করিতে হইতো। পশ্চিমবঙ্গেও উহার নমুনা দেখিয়াছি। আপনি যখন বারণ করিলেন তখন আর করিবো না।
চিনাদের অস্ত্রসম্ভার নিয়া আপনি যাহা লিখিয়াছেন তাহার একটু জবাব দিতে হইতেছে।
আপনার জানা নাই (অথবা জানা থাকিলেও তাহা চাপিয়া গিয়াছেন) যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ে চিনাদের স্থান ২ নম্বরে। প্রথমে রহিয়াছে মুরুব্বি মার্কিন!
আর অস্ত্র বেচাবিক্রয়তেই চিনাদের জায়গা ৭ নম্বরে। উহা দিন-দিন বৃদ্ধি পাইতেছে। এশিয়া ছাড়াইয়া চিনাদের অস্ত্র এখন আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকাতেও পহুছিয়াছে!!
@ রবার্ট ফিস্কের সাক্ষাৎকার পাঠ করিয়াছি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে তাহার সাক্ষাৎকার দেখিবার সৌভাগ্য অন্য আরো মানুষের মতন আমারও হইয়াছে। এখন শুধু এইটুকুই বলিবো ওসামা বিন লাদেনের হত্যাকন্ডের পর হামাসের বিবৃতিটাও নিশ্চয়ই পাঠ করিয়াছেন।



কোহিন ভাই, 
আপনার আলোচনা সবমিলিয়ে ভালো লেগেছে। 
তবে এখন আলোচনা যে পর্যায়ে গেছে, তাতে আমি আমার দেয়ালে, আপনি আপনার দেয়ালে। দু জনই পরস্পরের অবস্থান বুঝতে পারছি। এরপরও এই তর্ক টেনে নিয়ে যাওয়া মানে স্রেফ কাটাকাটির জন্য কথা বিনিময় করা হবে। 
আমার মনে হয়, আপাতত আলোচনাটা এখানে আমার দিক থেকে আমি বন্ধ করতে পারি। 
পরে অন্য কোনো ফোরামে বা অন্য কোনো বিষয়ে আরও আলোচনা হবে।

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites